Blog

​আমি একজন রাস্তার মেয়ে আপনারা ভদ্রভাবে যাকে বলেন (টোকাই)।

প্রথমে আমি একজন মানুষ ঠিক আপনাদের মতো, তার পর আমি একজন মেয়ে ঠিক আপনার মা, মেয়ে বা বোনেদের মতো, তার পরও যদি আমার পরিচয় জানতে চান তাহলে বলবো আমার আর  কোনো পরিচয় নেই। আমি একজন রাস্তার মেয়ে আপনারা ভদ্রভাবে যাকে বলেন (টোকাই), আমি না বললে বুঝতে পারতেন যে আমি টোকাই নাকি ভাবতেন আপনাদের মতো ভালো কোনো ঘরের সন্তান। আজ আমি রাস্তাই থাকি, ফুল বেচে খাই এইটা কি আমার দোষ? আজ যদি আমার জন্ম গুলশান বনানীর কোনো ভালো পরিবারে হয়ে থাকতো পারতেন আমাকে এইভাবে অবহেলা করতে? পারতেন না তো? শুধু মাত্র গরীব ঘরে জন্ম বলে কেনো এই অবহেলা? দয়া করে আমার মাথাই চাটি মারার পূর্বে নিজেকে একবার আমার জায়গায় চিন্তা করে দেখবেন। এটা আপনার সৌভাগ্য যে আপুনি আপনার অর্থশালী ‘বাবা’ ‘মা’ এর সন্তান।
ঢাকা, ২০১৭।

ফ্লিকার: https://flic.kr/p/QPXSpe

Advertisements

“Six Strings with a Box make Beautiful Rhythm and Love.”

Who doesn’t love to listen to music? Music can change our mind very smoothly and a guitar is a major instrument for music.

Nowadays, many people want to be a musician, and playing a guitar is their most favorite instrument in the early stages.

 

six-strings-with-a-box-2
Playing, Six Strings with a Box.

People like music and want to play guitar but do not have any idea how to play them, they don’t even want to do any hard work and learn. For those people I would like to say that they can easily make music through a guitar. Just they have to pick a guitar and touch its strings, it will make a music from its own.

Those words actually doesn’t belong to any logic, but for me logic doesn’t matter. I believe in my own logic doesn’t matter if anyone believes it or not.

From my childhood, guitar was my most favorite musical instrument and gradually it became my passion. I bought my first guitar when I was at school after that I never had one. So, it was my first and last guitar. After bringing that beautiful curved box with harmonious strings to my home I tried to play it many times, but I failed. I still can’t play one till today.

six-strings-with-a-box
Broken String. Dhaka, 2016.

My heart breaks with each and every string nowadays, whenever I see any of my friends or neighbor playing a guitar like an expert. I don’t feel broken anymore, ever since I took that box and move my finger on each strings, when any kind of sounds is being ready to come through that box, and those sound touch my ears. At that moment a little smile appears on my face brilliantly.

“Friendship between a Lamp and a Book”

Reading a book does not gives us a good feelings all the time, but if we read a book in a perfect environment  it can make our feelings better than everything.

books-1
Lamp and Books. Dhaka, 2016.

A tiny light doesn’t looks always good but when it comes through the lamp it looks well.

Those people who like dark and reading is their hobby, it will be a heavenly feelings for them to read a book from that light which is coming through the lamp. And If a person from a bookish group in an empty dark room and theirs a lamp and a few books, from my perspective no one can’t be happy more than that person.

When I was at school books was my most hated stuff. Most of the time when I tried read a book I felt repellent, but nowadays I feel totally opposite.

At my childhood I always dislike that person who gives me any kind of books. But in recent time, I become the most happiest person if someone give me a book and say this book is interesting, Hence, I thought you may like this book, so that I bring it for you please read and share  your opinion with me when you have done.

 

books-2
Books, Dhaka, 2016.

My favorite writer is ‘Samaresh Majumdar’ I can still remember that moment when I done his first book I felt like ‘drinking a glass of chilled water at the hot summer’ and I say wow, how a person can write so well? where was I? why I didn’t start his book before?. I guess I was start my journey from that night. My lifestyle became changed after started that journey, from the beginning of the journey my lamp was my most trusted friend.

This lamp always be in a ready mood,
To make a perfect atmosphere to change my mood,
When I became busy with a heavy book.

বিগত ৭৯ বছর যাবৎ দৃঢ়চিওে রাজশাহী শহরের বুকে দাড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী ঢোপকল।

রাজশাহী শহরের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্য ঢোপকল। ঢোপকলের সঙ্গে রাজশাহীর সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িত।

সিমেন্ট, কাস্ট আয়রণ  এবং পিতলে তৈরি পানি সরবরাহ প্রকল্প মহারাণী হেমন্ত কুমারী ওয়াটার ওয়ার্কস নির্মিত হয় যার অন্যতম নিদর্শন রাজশাহী শহরে অবস্থিত এই ঢোপকলসমূহ। ১৯৩৭ সালের আগষ্ট মাসে মিনিষ্ট্রি অব ক্যালকাটার অধীনে রাজশাহী ওয়াটার ওয়াকর্স নামে পানি সরবরাহ ও বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। এবং ব্যায় করা হয় প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকা। এই কাজে মহারাণী হেমন্তকুমারী দান করেন প্রায় ৬৫ হাজার টাকা। পরবর্তীতে হেমন্তকুমারী ঢোপকল নামেই পরিচিত হয় এই ওয়াটার ওয়ার্কস।

এই ঢোপকল তৈরীর সময়ে রাজশাহী পৌরসভার (বর্তমানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন রায় ডি এন দাশগুপ্ত।

সে সময় রাজশাহী শহরে পানযোগ্য পানি পাওয়া খুব কষ্টসাধ্য ছিল। বিশুদ্ধ পানির অভাব ঘটেছিল ব্যাপকভাবে। যার ফলশ্রুতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল কলেরা-আমাশয় সহ নানারকম পেটের পীড়া। কিছু সংখ্যক লোকের মৃত্যুর কারণ হয় এই পীড়া। 

রায় ডিএন দাশগুপ্ত রাজশাহী পৌরসভার চেয়ারম্যান (১৯৩৪-৩৯) থাকাকালে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় নগরবাসীকে সুপেয় পানি সরবরাহের উদ্যোগ নেন। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় রাস্তার মোড়ে মোড়ে পানির কল স্থাপন করা হবে।

পুরো শহর জুড়ে প্রায় শতাধিক এমন ঢোপকল স্থাপন করা হয় সেই সময়। মহারাণী হেমন্তকুমারী পানি শোধন কেন্দ্রে পানিকে বিভিন্ন ভাবে পরিশুদ্ধ করা হতো। সর্বপ্রথমে পাথরকুঁচির ফিল্টার দ্বাব়া পানি পরিশুদ্ধ করা হতো, পানি থেকে আয়রন ও পানির ক্ষারতা দুর করা হতো, তারপর সেই পরিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হতো ঢোপগুলোতে। ঢোপগুলো থেকে সেই পানি সিমেন্টের তৈরী মোটা পাইপের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হতো।

এই ঢোপকলগুলোর প্রতিটির পানি ধারণক্ষমতা ছিল ৪৭০ গ্যালন। প্রতিটি ঢোপকলেই ছিল একটি করে ‘রাফিং ফিল্টার’। ঢোপকলগুলোতে বালি ও পাথরের স্তর থাকায় সরবরাহ করা পানি আরও পরিশোধিত হয়ে বের হতো এবং গরমের সময় পানি মোটামুটি ঠান্ডাই থাকতো। সেই সময় সারাদিনে মাত্র দুই ঘণ্টা পানি সরবরাহ করা হতো। মোড়ে মোড়ে ঢোপকলগুলোতে পানি ধরে রাখা হতো, ফলে সারাদিনই স্বাচ্ছন্দে পানি পাওয়া যেত।

বর্তমানে এই ঢোপগুলো আমাদের দৈনন্দিন চাহিদা পুরনে অক্ষম হলেও ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য স্বাচ্ছন্দে দাড়িয়ে আছে রাজশাহী শহরের বিভিন্ন মোড়ে। কিছু কিছু এলাকাই ঢোপগুলোকে রঙ্গে রঙ্গিত করে নতুন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে আমাদের এই প্রাচীন সংস্কৃতি।

Daily life crisis and the Blossom.

Every night beside T.S.C, Dhaka University, some people sell the flower for their livelihood.

Who doesn’t want to get a red rose or the orchid to the loved ones in some occasional?
Getting a beautiful flower isn’t a big deal in the street of Shahbag area. It’s not much costly and it’s a beautiful gift but however the street flower seller have a rough day almost every day. Someday she makes a good sale but not every day. She earns her livelihood just by selling the beautiful things that makes people happy but sometimes least happiness can’t be earned by her.

“Public library can be our Home”

Palash, want a library at his home. He started to buy lot’s of books most of those books are story books. When he told his father that he want a library at their home his father became very happy. He smiled and said “I’ll help you my dear boy”. his father bought lot’s of books for his baby boy. When Palash started to read those books he didn’t get interested on any of those books. They were very boring for him. He tried again and again but he didn’t feel any better.
Nowadays he has a library at his home but he doesn’t want to read, maybe because of the collection.
Christmas, Dhaka, 2016.
Dhaka, 2016.
Days going on, winter is on.
Days become smaller, night become longer.
But he have nothing to do, he can’t go outside because of the cold.
And he has nothing to do at home.

One day Palash was sitting on his balcony, suddenly he noticed a boy is coming wearing a big fat sweater, covered his face with a monkey cap. Fog is everywhere and the little boy came through the fog. His appearance became bigger with every step.

Hello Himel, its you my dear friend, I was very scared! hows your day?

“Hihihi” Himel started giggling and said “dear I’m feeling like a bird in the open sky and I want to feel the whole sky, how are you, hows your day going on?”

“Ohh dear don’t ask about me I feel like a cold fire. I have nothing to do, I want some delicious books to change my mood”, replied Palash.

“Then lets visit public library, it may change your mood.” said Himel in reply.

After they entered the library Palash felt warm at his heart and it lit just like a thousand watt yellow bulb on his head, and that place smelt like his favorite book. Palash smiled and said “I like this place, It can change my mood”. He took a book from the thousands and when he started reading he felt like he is at his home, at his room, on his bed covered by his favorite blanket. He smiled again and said public library can be his home and he is very glad to have a home like this.